Ad Code

Responsive Advertisement

Ticker

6/recent/ticker-posts

ভোটার আইডি কার্ড তৈরি | নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

 ভোটার আইডি কার্ড তৈরি



কীভাবে ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করবেন? ভোটার আইডি কার্ড করার চিন্তা সকল সাবালক নাগরিকের মাথায় ঘুরাঘুরি করছে। তো সহজ নিয়মেই দেখে নিন নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম। এমনিতেই খুব সহজেই আইডি কার্ড বানানো গেলেও, সাবধানতার অবল্মবন করতে হবে। তাই সঠিক ভাবে রেজিস্ট্রেশন করুন।


বর্তমান সময়ে অনলাইন বা অফলাইন সকল ভাবেই ভোটার আইডি কার্ড বানানো যায়। সিম্পল এবং সরল কিছু  স্টেপ এর মাধ্যমেই nid ভোটার আইডি কার্ড তৈরি ফেলতে পারবেন। কিছু দিন আগেও লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আইডি কার্ড বানাতে হতো। কিন্ত এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের এই সময়ে। আপনার মোবাইলের মাধ্যমেই nid card করতে পারবেন। তো এক ঝলকে দেখে নিন কীভাবে ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করবেন ।


আরও দেখুন


ভোটার আইডি কার্ড তৈরি

প্রত্যেক নাগরিকের পরিচয় বহন করে ভোটার আইডি কার্ড। ছোট থেকে ছোট একটি সিম রেজিস্ট্যার থেকে শুরু করে। জমি ক্রয় বিক্রয়, বিদেশ ভ্রমনের পাসপোর্ট বা রাষ্ট্রীয় সকল কাজেই ভোটার আইডি কার্ড প্রয়োজন হবে। আমাদের ভোটার আইডি কার্ড তৈরির দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন পালন করে থাকেন। 


সাধারনত প্রতি ৩ বছর পর নির্বাচন কমিশনের লোক বাড়ি বাড়ি এসে লিস্ট তৈরি করে। নির্দিষ্ট বয়সের সকলকেই ভোটার লিস্টে নাম লেখানো হয়। আপনি যদি সময় মতো নাম দিয়ে থাকেন তাহলে আইডি কার্ড তৈরির প্রসেস এ অনেকটাই এগিয়ে গেছেন :) আর যদি না করে থাকেন ব্যপার না, অনলাইন থেকে করে নিতে পারবেন। 

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম ২০২২

যেমন এখন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হয়না। তেমনই ২০২২ সালে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে। আগের নিয়মে এখন আর আইডি বানানো যায় না। তো দেখে নিন ২০২২ সালের হালনাগাদ কৃত nid card তৈরির পদ্ধতি।


নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম


ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করার জন্য আপনাকে এখানে ভিসিট করতে হবে। সেখান থেকে রেজস্ট্যার করতে হবে। মনে রাখবেন সকল তথ্য শতভাগ সত্য হতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আপনাকে ১৮ বা তাঁর থেকে বেশি হতে হবে। সেখানে যেসব তথ্য চাইবে একে একে দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করে ফেলুন।


Nid ভোটার আইডি কার্ড তৈরি


এখন আপনাকে ভেরিফিকেশন এর অপেক্ষা করতে হবে। একাজে ১৫ থেকে ৬০ দিন বা তাঁর বেশি সময় লাগতে পারে। ম্যানুয়ালি আপনার প্রদান করা সকল তথ্য যাচাই করা হবে। পুলিশ বা নির্বাচন কমিশন এর কর্মকর্তা এই কাজ করবে। সব ঠিক থাকলে দ্রুতই ভোটার আইডি কার্ড তৈরি হয়ে যাবে। 


ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করতে কি কি লাগে

ভোটার আইডি কার্ড বানাতে যা সবচেয়ে বেশি লাগে সেটি হলো সময়। এছাড়া বাকি কি কি লাগে জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে যেসব তথ্যের প্রয়োজন হয়- 


তথ্য

কেন প্রয়োজন

এস এসসি পরিক্ষার সনদ

আপনার বয়স প্রমানের জন্য

জন্ম নিবন্ধন এর ফটোকপি

আপনার বয়স প্রমানের জন্য

পাসপোর্ট/ ড্রাইভিং লাইসেন্স/ টি.আই.এন

আপনার বয়স প্রমানের জন্য

কারেন্ট বিলের কপি

ঐ এলাকার বাসিন্দা কীনা প্রমানের জন্য

নাগরিকত্বের সনদ

শুধু মাত্র প্রযোজ্য ক্ষেত্রে

বাবা / মায়ের আইডি কার্ডের কপি

শুধু মাত্র প্রযোজ্য ক্ষেত্রে




যত বার ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করতে কি কি লাগে লিখে সার্চ করবেন। আপনার সামনে উপরের লিস্ট উপস্থিত হবে। কিন্ত প্রকিত পক্ষে এসব কিছুর দরকার পড়ে না। শুধু মাত্র আপনার জন্ম নিবন্ধনের ফটো কপি এবং বাবা / মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি হলেই হয় যায়। 

নতুন ভোটার আইডি কার্ড বের করার নিয়ম

উপরের স্টেপ গুলো ঠিক ঠাক থাকলে। খুব দ্রুতই নতুন ভোটার আইডি কার্ড বের করার নিয়ম যানতে হবে। কেননা এখন খুব দ্রুতই নতুন ভোটার আইডি কার্ড বের করা যায়। এই কাজ করার দুটি পদ্ধতি রয়েছে। 

  • অনলাইন থেকে প্রিন্ট করা
  • সরকারী ভাবে বের করা

অনলাইন থেকে নতুন ভোটার আইডি কার্ড বের করার নিয়ম


আইডি কার্ডের আবেদন করার পর থেকে সরকারি ভাবে হাতে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগে। ২০২১ সালের মাঝা-মাঝি আমি ভোটার আইডি কার্ডের সকল রিকোয়ারমেন্ট সম্পন্ন করি। কিন্ত অফিশিয়ালি আমি হাতে আইডী কার্ড পাই নাই। কিন্ত অনলাইন থেকে ভোটার আইডি ডাউনলোড করে কাজ চালাচ্ছি :) আপনার যদি দ্রুত প্রয়োজন হয়, ব্যবহার করতে পারেন। শুধু মাত্র যারা আবেদন করবে তারাই এই সুবিধা পাবে।

সরকারীভাবে ভোটার আইডি কার্ড বের করার নিয়ম

যদিও অনলাইন থেকে বের করে ভোটার আইডি কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্ত আসল আইডি কার্ড আপনার কাছে তখনই আসবে যখন সরকারী ভাবে হাতে পাবেন। তাই জরুরি প্রয়োজনে উপরের স্টেপ ফলো করুন। আর অপেক্ষা করুন, সময় হলে আপনার কাছে আইডি কার্ড পৌঁছে যাবে। কেননা এটি আবেদন করার পর বাকিটা সরকারের দায়িত্ব। 

 

প্রশ্ন: ভোটার আইডি কার্ড হাতে পেতে কতদিন সময় লাগবে?

 

উত্তর: সাধারনত ১৫ থেকে ৬০ সময়ের মধ্যে ভোটার আইডি হাতে পাওয়া যায়। তবে ক্ষেত্র বিশেষ কম বা বেশি সময় লাগতে পারে। 

 

প্রশ্ন: অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারব?

 

উত্তর: হ্যা, একবার নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট এ এসে গেলে সহজেই করতে পারবেন। আরও জানুন

 

প্রশ্ন: নতুন ভোটার আইডি কার্ড বানাতে টাকা লাগে?

 

উত্তর: না, আইডি কার্ড বানাতে টাকা লাগে না। কিন্ত ফটোকপি স্ক্যান ইত্যাদি কাজে ১০- ২০ টাকা লাগতে পারে।

শেষ কথা

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম ২০২২, ২০২০ এবং ২০২১ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। যদি আপনার নতুন কোন তথ্য জেনে উপকার হয় । তাহলে অবশ্যই শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ :)

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ